Showing posts with label সম-গীত. Show all posts
Showing posts with label সম-গীত. Show all posts

Sunday, April 4, 2021

হ্যানিমান আসলেন!

মানুষ মরছে ধুঁকে, রোগে-শোকে ত্রাসে

দিশেহারা ধরণীটা মুক্তি পিয়াসে-

সে সময়ই হ্যানিমান আসলেন;

রক্তিম পৃথিবীতে রোগের আধার

রুখতে এলেন নিয়ে মেধা ক্ষুরধার

সত্যকে শুধু ভালোবাসলেন!

 

আরোগ্য-নীতি এলো তাঁর হাত ধরে

চিরদিনই ঢাকা ছিলো যুগের আঁধারে।

রোগতত্ত্ব পেলো যৌক্তিকতার রূপ-

সিমিলিয়া দিয়ে রোগ নাশলেন!

এ কাজেই হ্যানিমান আসলেন!!

 

কিন্তু কী নিদারুণ দুর্ভোগ!

সত্য প্রকাশে মেনে অসহ্য নিপীড়ণ,

সংগ্রামী শির উঁচু রাখলেন-

অযোগ্য করে তাঁকে বিচারের প্রহসন,

যোগ্যতা দিয়ে তাকে ঢাকলেন।

 




আজকে আবার সেই চির হাহাকার

সত্যকে অবহেলা করার বিচার-

রোগের রাজত্বকে থামাতে চাইলে মানো-

যে সত্যে তিনি ভাসলেন!

যে সত্যকে নিয়ে আসলেন!!!


Tuesday, February 23, 2021

মাঝে মাঝে কেন টাকা পাই


 

মাঝে মাঝে কেন টাকা পাই-

চিরদিন কেন পাই না?

কেন মন হাসে, টাকার সুবাসে-

সে হাসি হারাতে চাই না।

 



মাসের শুরুতে, সুখেরও সুরতে-

বুকে আসো তুমি থাকিতে,

ক্ষণিকের পরে হয়ে যাও পর-

আগের মাসের বাকীতে।।

 

কি করিলে বলো পাইবো তোমারে,

থাকিবে ব্যাঙ্কে –লকারে,

কত কোঁথ দিলে থাকিবে এ ঘরে-

গহনা-গাট্টি প্রকারে!

 

ধারেতে, দেনাতে, চাওয়াতে, পাওয়াতে,

লেজে-গোবরে গেছে মিশিয়া-

আজি করি পণ, দেবো এ জীবন-

তোমারেই ভালোবাসিয়া।।

Tuesday, March 12, 2019

কত আর?


















হাহাকার শুধু ভেসে গেছে,
কত বুক ফাঁটে চিৎকারে-
দয়াময়, তুমি কত রবে চুপ করে?
পূবে-পশ্চিমে মরছে মানুষ- অবিচারে নিপীড়নে,
বাতাসে মৃত্যু দু:সহ- শত শোষণে, নিষ্পেষণে,
মুক্তি খুঁজছে মানবতা, সে আজ বন্দী এ প্রান্তরে।
দয়াময়, তুমি কত রবে চুপ করে?

দিশাহীন হয়ে ছুটছে কেবল,
শত বছরের কান্নার রোল,
খুঁজে মরে পথ, হারায় অতল-
আঁধারের গহ্বরে।

শয়তান দেখো হেসে চলে তার বিজয় আস্ফালনে,
তৃষ্ণায় দগ্ধ পৃথিবী হাঁপায় শান্তির সন্ধ্যানে,
আর কত প্রাণ মৃত চাও প্রভু, তোমার বদ্ধ দ্বারে?
দয়াময়, তুমি কত রবে চুপ করে?

আমিই আন্দোলন















জীর্ণ পৃথিবী- তারস্বরে কাঁদে, বিক্ষোভে কাঁদে মন
সময়ের দ্বারে দাঁড়িয়ে বলছি- আমিই আন্দোলন।

ছুটে যাবো এই অনিয়ম ভেঙ্গে, টুটে দিতে কালো হাত
আমার বজ্রমুষ্ঠির থাবা- পথ খোঁজে দিনরাত
দূর করবে সে শোষণ, শাসন- বিভেদের বন্ধন।
সময়ের দ্বারে দাঁড়িয়ে বলছি- আমিই আন্দোলন।


ঘরে ঘরে আজ হাহাকার শুনি
মৃত্যু কেবল করে কানাকানি
তন্ত্রে-মন্ত্রে বাঁধা পড়ে আছে
অসহায় যত মানুষের ধ্বণি।

আজকে কেবল ঘোষনায় রবে বঞ্চিত যত প্রাণ
ক্ষুব্ধ হৃদয় প্রশ্ন ছুড়বে, মনে রেখে অপমান
নিশানা তুলেছি মাথা উচু করে, ফিরে পেতে সেই ক্ষণ।
সময়ের দ্বারে দাঁড়িয়ে বলছি- আমিই আন্দোলন।

ভুলে যাও















তুমি তুলোনা তোমার মুখ,
তুমি তাকিয়োনা এই চোখে-
থাক, যেভাবে আমার সকল কথা, কথকতা ঢেকে থাকে।

তুমি চেয়োনা পেছন ফিরে,
পথে থেমো না দ্বিধার ঝড়ে,
তুমি শুনোনা কারোর মৌনতা যদি অকারণে পিছু ডাকে।

তুমি হেঁটে যাও সম্মুখে, শুধু চোখে রেখো অবহেলা-
তুমি খুঁজোনা কোথাও বেজে চলে কিনা শুনোনি যে কথা-বলা।

শুধু বয়ে যাও- উচ্ছাসে,
যদি ভুলে কভু মনে আসে,
তবে বিস্মৃতি দিয়েই মুছে দিও সেই নিষিদ্ধ ভাবনাকে।

ফিরে আসা
















বারে বারে জানি এসেছো এমন বিষণ্ন-গোধূলিতে,
‘ফিরে এসো’ বলে- ডেকেছো বিদায় দিতে।

বার বার তাই দুয়ারে দাঁড়িয়ে,
ফিরে চলা সেই পথটাতে চেয়ে,
নমিত চোখের অশ্রু ঢেকেছো- পরিচিত বেদনাতে।

শত শত বার ফিরে গেছি, আর এসেছি আবার ফিরে,
‘আবার আসবো’- বিদায়ের শেষ কথাটুকু বুকে ধরে।

আবারও সন্ধ্যা, আসবেই জানি-
উপহার দেবে বিদায়ের-বাণী,
আরেক জন্মে সাঁঝের ছায়ায় ভালোবাসা ফিরে পেতে।

Monday, November 19, 2018

হায়রে মুসলমান














রাসুলের ডাক কে শুনে আর করবে জীবন দান
হায়রে মুসলমান।

ত্যাগের চিন্তা ভোগের ফাঁদে,
দিনে রাতে যাচ্ছে কেঁদে,
দেওয়ার কথা উঠলে দেয় আজ রাসুলকে কোরবান।

জীবন দিয়ে, সম্পদ দিয়ে শান্তি আনতে চেয়ে-
সংগ্রাম ছিলো রাসুলের, সেটা ভুলে গেছি কি উপায়ে?

আজকে কেবল জীবন জুড়ে স্বার্থের জয়গান
ভোগ লালসায় মজ্জিত সব পরগাছা শয়তান।
হায়রে মুসলমান।

খুব মজে আছি নামায রোজায়
(আর) নিজের পেটটা ভরার পূজায়
ইসলাম খুঁজি অক্ষরে শুধু, বলি দিয়ে বলিদান।

Saturday, October 20, 2018

কৈশোরের গান


সম্মুখে পথ, বুকে প্রত্যয় আমরা চির-কিশোর
সত্যের পথে ছুটে চলা কুঁড়ি, আনতে নতুন ভোর।


ধরা স্বার্থে ও লোভে উত্তাল
তাকে গ্রাস করে আছে দাজ্জাল
আজ তার টুটি চেপে ধরবে মোদের বজ্রশক্তি-ডোর।


শক্তি-মন্ত্র “ঐক্য” জঁপেছি, শপথটা আনুগত্যের
শৃঙ্খল ভাঙ্গি- অস্ত্র মোদের শৃঙ্খলা মহাসত্যের।
পৃথিবীর মোহে ডুবে যাওয়া যত উদ্বাস্তুর প্রাণে
চেতনা ফেরাবো আমরা ত্যাগের মহান উচ্চারণে।


যত অনাচার ভেঙ্গে পৃথিবীর
নিয়ে আসবো সুদিন শান্তির
যত কর্ম, ভাবনা, বিষয়, সহায়- সম্বল করে মোর।

Friday, August 31, 2018

আজ জাগবো প্রানের স্পন্দনে
















আজ জাগবো প্রানের স্পন্দনে,
আর কাল টেনে- ভুল পথপাণে,
দিন কাটবে না স্রেফ ক্রন্দনে।
আজ জাগবো প্রানের স্পন্দনে।

তাই, দুই চোখে আজ ছুটবে আগুন উচ্ছাসে,
পুড়বে যত স্বার্থ-বিধান, নতুন যুগের উদ্ভাসে।

ভাঙ্গবে বিভেদ, সীমার বেড়া,
অত্যাচারী শোষক যারা;
পুড়বে তাদের পাপের চিতায়, নিজের বোঝার বন্ধনে।
তার অত্যাচারের গান শুনে।
আজ জাগবো প্রানের স্পন্দনে।

আজ ধর্ম কাঁদে যন্ত্রনাতে,
নিজেই সে আজ ভীষন ফাঁদে,
ব্যবসা আর রাজনীতিতে, বিকোয় এখন-
খোদার বিধান, হয় পরিমাণ, তুচ্ছ টাকার লেনদেনে।
আজ মানুষ মরে সংঘাতে,
সব ভণ্ডরা পায় ভাত তাতে,
আর লক্ষ মায়ের কান্না ভাসে, তাদের প্রাসাদ প্রাঙ্গনে।
আজ জাগবো প্রানের স্পন্দনে।

আজ দেশটা ভাসে তন্ত্র ধরে,
মানুষ মরে অন্ধকারে,
ক্ষুধার জ্বালায় প্রাণ চলে যায় শান্তি খোঁজে কোনখানে?
যায় জীবন বৃথাই সন্ধ্যানে;
আর ভোট দিয়ে হয় মানুষ গোনা, মানুষ মরে দিন গুনে।
আজ জাগবো প্রানের স্পন্দনে।

আজ ভন্ডরা সব ভেক ধরে,
যায় দেশ জাতি সব উদ্ধারে,
কারোর কেবল চাই ক্ষমতা, কেউ বা সেথা-
ভীষণ ভীষণ টাইটেল দিয়ে নাম টানে,
তারা নিজের পেটই ভরছে কেবল, শুষছে এ দেশ আনমনে।
সবাই আছে মিথ্যে মজে,
ভন্ডদের এই গুঞ্জনে।
আজ জাগবো প্রানের স্পন্দনে।

আজ জাগবো যত ছন্নছাড়া,
ক্ষুণ্নহৃদয়, সর্বহারা,
যাদের হৃদয় নতুন দিনের স্বপ্ন দেখে-
শান্তি আনার গান জানে।
আজ ধরবো বাজি, মরতে রাজি,
শান্তি আনার পণ মেনে-
আজ জাগবো প্রানের স্পন্দনে।

আজ মুক্তি পাবে সহস্র প্রাণ,
মুক্ত হয়ে ছুটবে আযান,
যেখানে যে নিপীড়িত, দগ্ধাহত-
উৎপীড়কের গুণ টেনে;
তাই ভাঙ্গবো মানুষ মারার বিধান, নতুন যুগের উত্থানে।
সব ভন্ডদের আজ খুলবো মুখোশ, শুদ্ধ প্রাণের দিন চিনে।
আজ জাগবো প্রানের স্পন্দনে।
আজ জাগবো প্রানের স্পন্দনে।


(এই লেখাটি কাজী নজরুল ইসলামের আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে" কবিতাটির ছন্দকে হুবহু অনুসরণ করে লেখা হয়েছে। ছন্দের একটা এক্সপেরিমেন্ট বলা যায় আর কি। )

Wednesday, August 29, 2018

এখন চাইছি স্পর্শ তোমার













এখন চাইছি স্পর্শ তোমার
ছুঁয়ে থাকা আজীবন,
আমার হৃদয়ে খুঁজছি তোমার মন।

হতাশায় মোড়া যুগের অসুখে
বাঁচবো আমরা চোখে চোখ রেখে
যত বঞ্চনা, অভিমান ঢেকে
ভালোবেসে আমরণ।

তোমার কথার ছন্দ ভাসছে মগজের পরিধিতে
ভালোবেসে মন চাইছে তোমার ভালোবাসা বুঝে নিতে।

তোমার হাতটা বন্ধন হয়ে
নি:স্ব এ হাতে থাকুক জড়িয়ে
একসাথে শিখে নেবো অসময়ে
বেঁচে থাকা প্রতিক্ষণ।

Tuesday, August 28, 2018

ভুলে যাও












যত পারো ভুলে যাও-
চলে যাও যত পারো দূরে,
ভুলে যাও যদি পারো তুমি চিরতরে।

হয়তো কখনো একলা বিকেলে,
সকলের ভীড়ে মন একা হলে,
ভুলে যাওয়া কারো অশ্রু-
তোমার বিষাদে থাকবে ঘিরে।

হয়তো কখনো খুঁজবে কে রয়
ছায়ার মতোই পাশে,
কে যেন শোনায় ভুলে যাওয়া গান
ক্ষণিকের অবকাশে।

কখনো হয়তো রাতের আঁধারে,
দূর-বিভাবরী জাগাবে তোমারে,
ভাববে কেন এ হৃদয় ব্যকুল-
ভুলে যাওয়া এই সুরে। 

ঠাঁই












ঠাঁই খুঁজে নেবে অশান্ত মন, সন্ধ্যের কুয়াশাতে
সবকিছু ভুলে যেতে।

স্তব্ধ হয়েছে রাস্তা, শান্ত হয়েছে মন
ভ্রান্তি জড়ানো আশ্রয় খুঁজে ছুটেছে যে আজীবন
আলো-আঁধারের সীমানাকে ছুঁয়ে এখন সে নেবে বুঝে
পৃথিবীর প্রতি গল্পে সে গেছে কোন কথাটাকে খুঁজে?

শ্বাস ফেলে মৌনতা,
ফিসফিস করে হাওয়া
সন্ধ্যের তারা চেয়ে চেয়ে দেখে মানুষের চাওয়া-পাওয়া।

তার চোখে সমব্যথা-
রচে যায় কথকতা,
তার সাথে যার স্বপ্ন ভেঙ্গেছে, থেমে গেছে গান গাওয়া।
খোঁজে অভিমানী মন যারা কাঁদে ক্লান্ত, শুণ্য হাতে
সবকিছু ভুলে যেতে।

চাইছি আলিঙ্গন


এখন চাইছি স্পর্শ তোমার
চাইছি আলিঙ্গন-
শরীরে আমার খুঁজছি তোমার মন।

এখন চাইছি ঘুমভাঙ্গা সুখে,
তুমি শুয়ে এই বুকে মাথা রেখে,
তোমার দু’ঠোট, কপালটা ঢেকে-
খুঁজে পেতে শিহরণ।

তোমার চুলের গন্ধ ভাসছে মগজের পরিধিতে,
উন্মুখ হয়ে, কেবল তোমার গভীরতা বুঝে নিতে।

তোমার হাতটা বন্ধন হয়ে,
বুক, কাঁধখানা থাকুক জড়িয়ে,
ছড়িয়ে পড়ুক ধীরে পায়ে পায়ে-
মিলনের আমন্ত্রণ।

Sunday, August 19, 2018

মোল্লা, ও মোল্লা রে




















একটা সময় তোরে দ্বীনের কান্ডারি ভাবতাম
তোর কথাতেই ধর্ম চলে, এই কথা মানতাম
তোর মিষ্টি মধুর ওয়াজ শুইন্যা পড়ান জুড়াইতাম
তোরে একটু সেবা করার লোভে দাঁড়াইয়্যা থাকতাম।।

তোর দাড়িঁ, টুপি লেবাস দেইখ্যা মুগ্ধ হইয়্যা যাই
ভাবি তোর কাছে না থাকলে ধর্ম আর কোথাও নাই
আগে ভাবছি কত, ধর্মটা তোর ভালোবাসা রে
আজ দেখি তুই ধর্ম নিয়ে ব্যবসা ফাঁদিস রে।

ও মোল্লা, ও মোল্লা রে, তুই অপরাধী রে
আমার সহজ সরল ইসলামটারে দে ফিরাইয়্যা দে
এই ধর্ম নিয়্যা ব্যবসা করার অধিকার দিলো কে
মোল্লা, তুই বড় অপরাধী, তোর ক্ষমা নাই রে।

তোর হালাল-হারাম বয়ান শুইন্যা আফসোস লইতাম
তোর মতো পাক বান্দা যদি আরেকটা পাইতাম
ভাবছি যে তুই কষ্ট কইরা হালাল রুজি খাস
তুই ভালোবাসিস রাসুলরে আর আল্লাহরে ভয় পাস।। 

আজ কোরআন খুলে দেখি, এ দ্বীন সবার তরে দান
তাই সহজ সরল করে দিছেন আল্লাহ সুবাহান
তুই তাফসীরে আর মাসায়েলে, জটিল করে তায়
কস ধর্ম নিয়ে এখন নাকি ব্যবসা করা যায়।

ও মোল্লা, ও মোল্লা রে, তুই অপরাধী রে
আমার সহজ সরল ইসলামটারে দে ফিরাইয়্যা দে
এই ধর্ম নিয়্যা ব্যবসা করার অধিকার দিলো কে
মোল্লা তুই বড় অপরাধী, তোর ক্ষমা নাই রে।

দ্বীনের বিনিময়কে হারাম করেছেন আল্লাহয়
আগুন খাওয়া বইল্যা দিলেন ধর্ম ব্যবসায়
তিনি নাপাক বলেন তারে যে নেয় ধর্মে বিনিময়
আজ, দেখছি সে কাজ হালাল বলে তোর ফতোয়ায় রয়।।

নামাজ, ওয়াজ, মুর্দা-দাফন, কোরআন খতমটায়
তোরে পয়সা দেয়া ছাড়া এখন সবাই নিরুপায়
রোজ হাশরের ভয় কি মনে একটা ফোঁটাও নাই
পয়সা দিয়্যা দোযখরে ক্যান করিস রে কামাই।

ও মোল্লা, ও মোল্লা রে, তুই অপরাধী রে
আমার সহজ সরল ইসলামটারে দে ফিরাইয়্যা দে
এই ধর্ম নিয়্যা ব্যবসা করার অধিকার দিলো কে
মোল্লা তুই বড় অপরাধী, তোর ক্ষমা নাই রে।

Tuesday, August 14, 2018

সত্যযুগ












আমরা এসেছি শত দল সেনা নতুন পৃথিবী গড়তে আমরা এসেছি দিক দিগন্ত আনন্দময় করতে। আছে শিরে সদা সত্যের তাজ তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দুরন্ত বাজ ধরার ধূলিতে নামাবো স্বর্গ সঁপি জান নিঃশর্তে। সকল ধেয়ান প্রাণ ধন মান দিয়ে গাই মানুষের জয়গান বুকে প্রত্যয় সুদৃঢ় মহান নব্যযুগ রবি আনতে। রুখে দেবো আজ যত অবিচার অপশক্তিরে করে সংহার যাব আগামীতে ছুটে দুর্বার সত্যযুগের প্রান্তে।


এই গানটি আমার এবং বন্ধু রিয়াদুল হাসানের যৌথভাবে লেখা।

Sunday, August 12, 2018

চায়না এ মন মেনে নিতে




















চায়না মন মেনে নিতে
আমিই কেবল বাসছি ভালো, ভাবছি তোমায় দিনে রাতে


সবার মাঝে থেকেও দেখি-
হৃদয়-পদ্ম একলা তটে,
তুমি কোথায় অচিন-পারে, আমায় ফেলে ভিন্ জগতে


আকাশ, বাতাস, সাগর, নদী,
ব্যকুল-পরাণ আমার সাথে,
ক্ষুন্ন মনে, তারাও ভাবে-
কি হবে এই ঘোর-বরাতে!


তোমার দিকে তাকাই আশায়
করবে মনে কোনোমতে,
বৃথাই ডাকি, জানি তোমার গলবে না মন- কথাতে


একটা বিশেষ সুর, যার অনেকগুলো ভার্সন আছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে- সবগুলো ভার্সনই প্রায় সমান জনপ্রিয়। মনরে কৃষিকাজ জানো না, আমি শুধু রইনু বাকি, মায়ের এমন বিচার বটে, চাইনা মাগো রাজা হতে, ইত্যাদি। এই গানের সুরটা যখনই যে ভার্সনেরই শুনি, আমাকে একইভাবে বিহ্বল করে দেয়। তাই, রামপ্রসাদী গানের ছন্দের প্যাটার্নে ও সুরে এই গানটা লিখে রাখলাম। নিছক প্রেমের গান- সম্ভবত প্রেমের গানে এই সুর- এটাই প্রথম।