প্রেমের পদ্য লিখবো বলে বলেছিলাম,
Saturday, December 30, 2023
তেমন করে...
পথের অংক
প্রেম-পদ্যের ত্রাস!
Wednesday, December 13, 2023
আমার শহর
বেড়েছি আমি, বেড়েছে আমার শহর আমার সাথে,
উপকণ্ঠের
সীমানা বেড়েছে, পুরোনো সে গলিপথে;
বেড়েছে
স্মৃতি, বেড়েছে যা কিছু বাড়ার ছিলো সবই-
তবু, কৈশোর
আজো দাপিয়ে বেড়ায় পুরোনো শহরটাতে।
এই শহরেই
দেখেছি কীভাবে শীতের কুয়াশা নামে,
দেখেছি
কীভাবে সন্ধ্যের আকাশে ধ্রুবতারা এসে থামে;
দেখেছি
কীভাবে রাত ভীড় করে, চারপাশে কিবা মনে-
কীভাবে
মানুষ মরে যায়, আর কারা বাঁচে ডানে-বামে।
এ শহর
চেনা যেভাবে নিজেকে চিনেছি নিজের মনে,
যেভাবে
আমি ছড়িয়ে রয়েছি স্টেডিয়ামে বা উদ্যানে;
ভিক্টোরিয়ার
মোড়ে কিংবা নিরালার কোণ ঘেষে-
শহীদ মিনারে,
শান্তিকুঞ্জে মিশে আছি সবখানে!
মিশে আছি আমি, মিশে আছে স্মৃতি, আর বড় হয়ে যাওয়া,
প্রথম
প্রেমের কান্না, অথবা প্রথম যা কিছু পাওয়া;
সুমনের
গান, গিটারের টান, চুরি করে সিগারেটে-
ভার হয়ে আছে আমার স্মৃতি, আর শহরের হাওয়া!
আমার পৌঢ়
মুখে হবে জানি বিদায়ের ভাঁজ আঁকা,
তখনও থাকবে
বুড়ো শহরের পথে – এই স্মৃতি রাখা,
শুরুতেও
জানি সাথে ছিলে তুমি, শেষেও থাকবে পাশে-
মনে রবে
শুধু একদিন এই একসাথে বেঁচে থাকা।
Tuesday, November 14, 2023
এক্রোসটিক – ৬
ভাবনারা ছুটে চলে সীমানা পেরিয়ে,
লোহিত
সাগর থেকে হিমালয় ছুঁয়ে;
আজকের
দিন কিবা ধূসর প্রাচীনে-
ছিলাম
যেখানে বেঁচে ভুলে যাওয়া গানে।
ভাবনারা
ভালোবাসে গ্রাস করে নিতে,
লোলুপ
চাওয়াটি জানে সীমানা পেরোতে;
থেসিয়াস
যত পথ পাড়ি দিতে পারে-
কোশল বা
ব্যাবিলন, বঙ্গে বা রাঢ়ে!
আগামীর
দিন চায় তুমি থাকো সাথে,
কাছের
জন্মে কিবা সুদূর আগামীতে,
শেষহীন
প্রেম চায় ফেরে বার বার-
রক্তিম
ভোর ফেরে তোমার আমার।
ঠিকানা
বিহীন সেই সময়ের দ্বারে,
কাবেরীর
তীর ছুঁয়ে, গঙ্গার পারে-
নাইবো
আমরা ভুলে বিগত বেদনা;
একটি জন্ম
পাবো পুরোতে বাসনা!
চিন্তারা
কেঁদে মরে সে সময়কে পেতে,
ঠিকই সে
হারাবে ফের, পাবে সে হারাতে;
লিখবে
সে গল্পটা পাওয়া ও না পাওয়ার-
খোয়ানো
সে প্রেম পেয়ে- হারিয়ে ফেলাবার।
Thursday, November 9, 2023
তোমার সাথেই
মেঠোপথ যায় হারিয়ে যেভাবে দিগন্তে মাথা রেখে;
মধ্যরাতের কুয়াশারা ভাসে কি কথা বলবে বলে!
নিশ্চুপতায় হাহাকার মেখে ডাকে সে দিগঞ্চলে।
দেখতে চেয়েছি, শিশিরে ও ঘাসে কেমন মিতালী পেতে,
রামধনুটার আবীর ছড়ায় -কী কথা লুকোনো তাতে!
দুপুরের রোদ কীভাবে এতটা নির্জনতা ডেকে আনে-
ঝিঁ ঝিঁ পোকাদের সঙ্গত কোন সঙ্গীত যায় বুনে!
দেখতে চেয়েছি, ছোট্ট ছেলের ধুলোতে গড়ানো শেষে,
বিকেলের ঐ লালিমাকে কোন বার্তা পাঠায় হেসে,
দেখতে চেয়েছি কার টানে ফিরে ফিরে আসে ধ্রুবতারা,
কোন জন্মে সে এই পৃথিবীতে হয়েছে বন্ধুহারা!
চাঁদের আলোতে রুপালি নদীর শান্ত জলের টানে,
দেখতে চেয়েছি কত কথা রাখা, আছে তার কত মানে;
পৃথিবীর সব কাব্য চেয়েছি লিখতে তোমার সাথে,
চেয়েছি প্রেমের অক্ষর থাক পদ্যের ধারাপাতে।
কবে কোথাকার কোন বিরহীর মৌনতা বুকে নিয়ে,
সন্ধ্যের ছায়া চুপিসারে নামে- রাতের বিরহ ছুঁয়ে,
ছুঁতেই চেয়েছি- যা কিছু আমার, যা কিছু আমার নয়-
বন্ধুর চোখ যেভাবে ছুয়েঁছে ধ্যানরতা মেঘালয়।
তোমার সাথেই বুঝতে চেয়েছি- কীভাবে দেখবো সব,
কীভাবে জ্বলবে সবার হৃদয়ে চেপে থাকা বিপ্লব।
ভেঙে যাওয়া সব মানুষ চিনবে নিজেদের অধিকার,
অন্ধের চোখে আলোর মশাল জ্বলবে আরেকবার।
তোমার চোখেই দেখতে চেয়েছি- আমার মনের কোণ,
সব পাড়ি দিয়ে ছুটে পাওয়া কোনো ভীষণ উত্তরণ,
অনাদিকালের ইতিহাস, সব প্রশ্নের উত্তর-
যে চোখে রাখা তোমার আমার কোটি জন্মান্তর।





