Showing posts with label চেতনা. Show all posts
Showing posts with label চেতনা. Show all posts

Wednesday, January 21, 2026

The Silent Wayfarer

I gazed around,

Yearning to see the world's expanse—mountains, rivers, the sea!

I longed to create, to paint, to shape,

I wished to immerse myself in the essence of creation,

Filled to the brim with the tide of expectations.

 






But I forgot the one to whom these sights were meant—

My fellow traveller, walking beside me,

With empty hands and weary feet,

Who knows the call of this path,

Who understands where it begins and where it ends,

When the momentum of this journey shall cease.

 

In the fleeting currents of time, this night,

The one who seeks shelter near me,

Is none but the companion who walks beside.

 

Dr. Shaheen Mahmud

20/01/2026

Tangail

Saturday, January 3, 2026

The Silent Canvas

I brought him

an infinity of words—

not as gifts,

but as burdens.


I brought constellations of meaning,

like stars that burn unseen,

countless skeletal lines of images

embedded deep

in the black marrow of language.


His starving mind lunged forward

to possess them.

He took a scalpel to words,

cut them open,

peeled their silence apart,

determined to steal

Every hidden frame they held.


Insatiable—

He demanded more.


He wanted infinity

resting like a crown

upon his skull.


Lost inside a grotesque tangle of language,

His mind began to tremble.

He begged for terminology.

He trusted nothing naked,

nothing simple.


He required compound words—

engineered,

polished,

comfortably familiar with their luxury.


He wanted names—

So he could believe

that something new had been created,

that the neurons of the brain

had bloomed in borrowed colours.


And I gave him what he asked for!

The words,

the images,

slipped away on their own terms,

vanishing behind the shelter

of known names—

where meaning goes

to disappear.


Dr. Shaheen Mahmud

03/01/2026

 

 

 

Tuesday, December 30, 2025

আমি শিখলাম

আমি শয়তানের ভাষাকে শিখলাম,

কথা বললাম অনবরত,

বক্তৃতা দিলাম, 

উপহার দিলাম নিখুঁত সাহিত্য;

 

একদিন দেখলাম -

ভাষার বাণীগুলো পচে যায়;

হয়ে যায় শীতের হিমেলে কিছু -

পড়ে থাকা মাছের কাটার মতো মৃত

 

আমি দেখলাম নীরবতা!

 

আমি দেখলাম, আরো এক ভাষা আছে-

শিশিরে বা বৃষ্টিতে ভেজা ভেজা পাতাগুলি,

যে ভাষায় সালাম জানায়

 

দেখলাম মানুষেরা কথা যত বলে-

যুগে যুগে জমা সেই কোলাহল - আরো কিছু বলে!

এক রাশ উচ্ছলতার রঙে 

বাণীগুলো বেঁচে থাকে আমারই মতন


.

I LEARNED!

 

I learned the language of the devil,

spoke it without pause,

delivered speeches,

offered gifts of flawless literature.

 

One day I saw—

The utterances of that language decay;

they turn into something winter-cold,

dead like fishbones

left abandoned on frozen ground.

 

Then I saw silence!

 

I saw—there is another language:

dew-damp, rain-soaked leaves,

a language that offers salam,

a wordless greeting.

 

I saw that the more people speak,

the more the accumulated noise of ages

speaks something else entirely.

 

In a surge of vibrant colours,

the utterances remain alive here—

alive,

like me.

Thursday, December 11, 2025

শরাবীর প্রলাপ

 পানশালাতে সুর সাকী মাতাল হয়ে টলছে জোর,

শরাবীটাও বকছে প্রলাপ রাতের শেষে দেখতে ভোর,

বেখুদীর এই পানশালাতেই রশ্মি সবার আগে ধায়,

এই কথা কী ভুলেই গেছে মত্ত প্রলয় সুধার চোর















In this tavern,

The melody and the cupbearer stumble intoxicated,
The drunkard babbles deliriously,
As dawn is seen at the end of the night.
In this state of oblivion,

The ray of light runs ahead of everyone,
Has the thief of the intoxicating nectar forgotten this very thing?

Friday, December 15, 2023

প্রহেলিকা!

আমি আছি; চারপাশে বেঁচে আছে আমার চেতনা,

অনাদির ভ্রুণ থেকে বিকশিত চাঁদের মতোন;

অবিরত গুণে যাই তার আনাগোনা,

অবিরত গুণে যাই,  

দেখে যাই-



যেভাবে সে মিশে থাকে কুয়াশার ধূসরে মিলিয়ে,

শুনে যাই, অটবীর পাতাগুলো ছুঁয়ে-

যখন যে সঙ্গীতে ভরে তোলে আমার আকাশ;

যখন সে কল্লোলে জেগে উঠে জানায় আভাস-

সে রয়েছে, আমি আছি; সত্য সে আমার চেতনা-

তার আল্পনা- রঙিন করেছে এই ভোরের কিরণ,

আমার জীবন কিবা সাঁঝের লালিমা,

তারই আলোতেই আজ এত অনুপমা!

 

তারপরই দ্বিধা জাগে মনে-

চেতনার আলোতে যা এসেছে জীবনে,

সেও কি সত্য ঠিক আমার মতন!

সেও কি জীবন!

নাকি স্রেফ মিছে প্রহেলিকা!

তারও কি চেতনা আছে, আছে বোধ,

প্রাণের আলাপন!

নাকি সে কুয়াশা শুধু!

ধোঁয়াশা সে, আমার চেতনা যারে করেছে বপন!

আমি তাকে দেখি যুগ যুগ পার করে,

সেও কি আমাকে দেখে তার মতো করে!

নাকি তারা শুধু মায়া, শুধু এক মিছে খেলাঘর?

আমি আছি, আমার চেতনা আছে- বেঁচে আছে তারা,

তারপর হয়ে যাবে পর...! 

Sunday, November 12, 2023

নেতা এসেছেন!! (২)

 

চারদিকে বেজে উঠেছে কীসের ডঙ্কা! কেন কেঁপে উঠে ভোলগা থেকে গঙ্গা। কেন জাগে মন, কেন জাগে স্পন্দন- নেতা এসেছেন, ভেঙে দিতে যত শঙ্কা! বহুযুগ কেড়ে নিয়ে গেছে রাজতন্ত্রে পশ্চিমাদের গণ বা সমাজতন্ত্রে, শাসনে শোষণে হয়ে গেছি আজ নিঃস্ব, স্বার্থের ঘরে ধুঁয়ো দেয়া ষড়যন্ত্রে। ভুয়া শাসনের শোষণের এই বন্ধন, এনেছে দুঃখ, দিয়েছে কেবল ক্রন্দন, ‘মানবতা’ আজ বইয়ের পাতার ইতিহাস, প্রবোধবাক্য শুনতে শ্রতিনন্দন। এসেছে নতুন বিপ্লব- ডাক মুক্তির, এসেছেন নেতা - আলো হাতে মহাশক্তির, আঁধারের ঘোর কাটবে হাতের হাতিয়ার, আগুন জ্বলবে জ্বালাময়ী গান মুক্তির। ফুঁসেছে সময়, বিপ্লব জাগে চেতনায়, দুঃসময়কে ধ্বংসের চির-বাসনায়, নেতা এসেছেন- নিয়ে শান্তির পয়গাম, ক্লিষ্ট মানবে নিতে মুক্তির মোহনায়।

নেতা এসেছেন! (১)

 


আকাশ ছিলো রক্তিম শুধু কান্নায়, হাহাকারে, মানবতা! সে তো বন্দী যুগের জুলুমের কারাগারে। মুক্তিপাগল জনতার ক্ষোভ, ডেকে এনেছে নয়া-বিপ্লব, ডেকে এনেছে মুক্তির দূত, নিরাশার প্রান্তরে- শত বছরের দুঃখ ঘোচাতে নেতা এসেছেন দ্বারে।।



পূবে-পশ্চিমে, নগরে ও গ্রামে - যত মানুষের প্রাণ, চেয়েছে মুক্তিদাতা যে হবেন- সে নেতার উত্থান। মুক্তি দেয়নি সমাজতন্ত্র, রাজতন্ত্রও গত- মুক্তি পায়নি মানবতা গায়ে গণতন্ত্রের ক্ষত। শান্তি আসেনি, ব্যর্থ হয়ে হয়েছে অতীতের বলিদান- নেতা এসেছেন হাতে নিয়ে দিগ্ বিজয়ের ফরমান। মৃতের মতন বেঁচে থাকা যত মানুষের হাত ধরে নেতা এসেছেন- তুলে নিতে ফের জীবনের বন্দরে- ক্রন্দনরত যত মৃতপ্রায় ফিরে যাবে মুক্তির মোহনায় বিপ্লবী হয়ে উঠবে সময়- অসময় পার করে, নেতা এসেছেন জাগাতে জগৎ নতুন ইশতেহারে।

Thursday, November 9, 2023

এভাবে কেবল সুমনই লিখতে জানে!

 [সুমন চট্টোপাধ্যায় (কবীর সুমন) আমার সেই কৈশোর থেকে আমাকে বহু কিছু দিয়ে যাচ্ছে। আজকে তার পদ্য ও সুরের হাত ধরেই মধ্য বয়সে এসেছি, গিটার হাতে  নিয়েছি, জীবনটাকে দেখে যাচ্ছি। তাকে দেবার মতো আমার কিছু নেই। কেবল ভালোবাসা ও নিছক তারই কথাগুলো সাজিয়ে কয়েকটা লাইন ছাড়া……]












এভাবে কেবল সুমনই লিখতে জানে,

জীবনের ছবি পদ্যের গলিপথে!

সুমনই কেবল সঙ্গীত বয়ে আনে-

যে একা থাকে আমার একার সাথে।


সুমনই শেখায় বলতে ‘তোমাকে চাই’,

হৃদয়ের লাভা ছড়াতে বিশ্বজুড়ে,

সে জানে কতটা ভালো আবছায়াটাই

আঁধারের কোণে মোমের আলো সাথে করে।


সে শেখায় আগুন জ্বালতে আরেকবার

সে শেখায় বাঁচতে- মরে যেতে যেতে ফের,

সে পথিক- শান্ত শীতল সন্ধ্যেটার,

গাছের ছায়ার, ধুলো-ভরা পার্কের।


হাল না ছাড়ার ডাক আসে তারই ঠোঁটে,

অমরত্বের প্রত্যাশা হেলা করে,

চেনা দুঃখ, চেনা সুখ অস্ফূটে-

বেঁচে আছে শুধু তার সুরে ভর করে।


নাগরিক এই কবিয়াল ঠিকই জানে,

রেখাবের রূপ, সকালের রোদ্দুর,

প্রথম পাওয়া, না পাওয়াটার মানে;

বুকের ভেতরে বৃষ্টি পড়ার সুর।

 

গানওলা, তুমি আরেকটা গান গেও,

তোমার হাতেই আমার বেহালা রাখা,

ফাটকাবাজির দিনগুলো ভুলে যেও,

সুরে বেঁচে থাক মানুষের বেঁচে থাকা।

Sunday, April 4, 2021

হ্যানিমান আসলেন!

মানুষ মরছে ধুঁকে, রোগে-শোকে ত্রাসে

দিশেহারা ধরণীটা মুক্তি পিয়াসে-

সে সময়ই হ্যানিমান আসলেন;

রক্তিম পৃথিবীতে রোগের আধার

রুখতে এলেন নিয়ে মেধা ক্ষুরধার

সত্যকে শুধু ভালোবাসলেন!

 

আরোগ্য-নীতি এলো তাঁর হাত ধরে

চিরদিনই ঢাকা ছিলো যুগের আঁধারে।

রোগতত্ত্ব পেলো যৌক্তিকতার রূপ-

সিমিলিয়া দিয়ে রোগ নাশলেন!

এ কাজেই হ্যানিমান আসলেন!!

 

কিন্তু কী নিদারুণ দুর্ভোগ!

সত্য প্রকাশে মেনে অসহ্য নিপীড়ণ,

সংগ্রামী শির উঁচু রাখলেন-

অযোগ্য করে তাঁকে বিচারের প্রহসন,

যোগ্যতা দিয়ে তাকে ঢাকলেন।

 




আজকে আবার সেই চির হাহাকার

সত্যকে অবহেলা করার বিচার-

রোগের রাজত্বকে থামাতে চাইলে মানো-

যে সত্যে তিনি ভাসলেন!

যে সত্যকে নিয়ে আসলেন!!!


এমামুযযামান


নির্লজ্জ, বেহায়া, আর ধুরন্ধরের ভীড়ে,

মনুষ্যত্বের সত্ত্বাটি যেথা ক্রন্দন করে ফেরে-

মরুর বুকের ফুল হয়ে- সেই মরুতে আনতে প্রাণ,

যুগের এমাম আপনি এলেন- এমামুযযামান।

 

আল্লাহর দেয়া হুকুমকে আজ বহু দূরে, পায়ে ঠেলে,

তন্ত্র-মন্ত্র মাথায় নিয়েছি- নতুন বিধাতা বলে-

দান খয়রাত, আর উপাসনা দিয়ে ধর্মের বলিদান!

ভন্ডামি সব- জানিয়ে দিলেন- এমামুযযামান।

 



ধর্ম যেখানে পণ্য- শকুন বসেছে খুবলে খাবে,

স্রষ্টার সাথে মশকরা করে- ব্যবসাই সে সাজাবে,

ধ্বজাধারী এই মোল্লাতন্ত্র- ধর্মের অপমান,

সেই ভ্রান্তিকে দেখিয়ে দিলেন- এমামুযযামান!

 

আমরা রয়েছি মৃত এক জাতি- সারা পৃথিবীটা জুড়ে,

আবর্জনার স্রোতের মতো- ভাসি, কাঁদি তারস্বরে-

লা’নতের কালি চেহারায় মেখে নামের মুসলমান;

বাঁচাতে এলেন এই পৃথিবীতে- এমামুযযামান।

 

ব্যস্ত-ত্রস্ত ইবলিশ আজ, শেষ দিন সমাগত

ধ্বংস করতে- দাঁড়িয়ে, যাদের হৃদয় বেদনাহত।

সেই মানুষের হৃদয়ের দ্যুতি, প্রোজ্জ্বল অম্লান-

দান করেছেন, জীবনের আলো- এমামুযযামান।

 

মুক্তি নিয়েই এসেছেন তিনি- শান্তি পৃথিবী জুড়ে;

বিকৃতি আর ভন্ডামি সব ভেসে যাবে বহু দূরে।

তাঁর শির উঁচু করবেই তাঁর আত্মার সন্তান-

জীবন দিয়েই সালাম পাঠাবে, এমামুযযামান।

Tuesday, February 23, 2021

সময় এসেছে

 

সময় হয়নি এখনো কি তবে, এখনো কি রাত বাকী!

শত শত যুগ আঁধারে কেটেছে, রাত্রি ফুরোবে না কি?

অবিচারে কাঁদে পৃথিবীর ধূলো,

অশুভের ছায়া বড় জমকালো

তন্দ্রার ঘোরে চেতনারা সব মৃত্যুর মুখোমুখি,

শত বছরের জঞ্জাল আরো বয়ে যেতে হবে নাকি?

 


সত্যের বাণী ম্লান হয়ে আছে মিথ্যের বেসাতিতে

বহু অশ্রু বয়েই চলেছে চড়া দামটুকু দিতে,

ধর্মের বাণী গল্পকথায়,

পেটপূজকের জাল ফতোয়ায়,

আটকে রয়েছে, গা ভাসিয়েছে- ব্যবসার ধারাপাতে,

শান্তির আজ কবর সাজানো ধ্বজাধারীদের হাতে।

 

ভন্ড শকুনে ছেয়ে আছে এই পৃথিবীর প্রান্তর,

মানুষ মরবে, লাশ-উৎসবে মাতবে এ চরাচর-

ভন্ড এবং গোরখাদকেরা,

গড়েছে নিঠুর বিভেদের বেড়া

তারে কাটাতারে বন্দী করেছে মুক্তিকে বরাবর,

মানুষকে খাবে- ভাগাভাগি তার চলছে নিরন্তর।

 

হাতে হাত রেখে গ্রাস করে চলে যুগের হাঙর আজ

তন্ত্র-মন্ত্র, বিধানের ঢালে হায়েনার এ সমাজ

শোষিত সকল মানুষের কানে,

মিথ্যে আশার সান্তনা টেনে,

যথারীতি চলে- রক্তের ধারা শোষণের কারুকাজ,

সাধু বেশে এই রাত্রিতে একা শয়তান অধিরাজ।

 

এখনো কি তবু ঘুমিয়েই রবো, চেতনা জাগবে কবে!

রাত পাড়ি দেয়া যোদ্ধার চোখ এখুনি মেলতে হবে।

অশ্রু, রক্ত- এই অপচয়

আর এক ফোঁটা আমাদের নয়,

সত্যের আলো ফুটবেই এই চলমান বিপ্লবে,

সুদিনের আলো এবার আবার ধরার ধূলিকে ছোবে।

 

দাঁড়িয়েছে আজ শত মুজাহিদ সময়ের দ্বারে এসে,

সব অন্যায়, আবর্জনা- যাবে এই স্রোতে ভেসে,

আসবে শান্তি ন্যায়ের বিধান

ঘুচে যাবে সব বাঁধা ব্যবধান

তাওহীদ রবে, আঁধারের বুকে সূর্য উঠবে হেসে,

মানুষ বাঁচবে, জীবনকে আর মানুষকে ভালোবেসে।


রয়ে যাওয়া

পৃথিবী ধূসর হয়ে আছে,

মৃতের সখ্যতা নিয়ে কাল তার বয়ে চলে যায়,

চিৎকার, হাহাকার, ক্রন্দন – সব মিলে যায়-

ভাগাড়ে নিথর থাকা নিস্তব্ধতাটির কাছে।

 



ইতিহাস বুনে চলে,

অনাদিকালের স্রোতে চলমান পাওয়া ও না-পাওয়া,

ইতিহাস হয়ে রয়,

চেতনাবিহীন সব মানুষের চুপচাপ শুধু মরে যাওয়া,

ইতিহাস বেঁচে থাকে, শত বিস্মৃতিকে ভর করে-

সবকিছু ভেসে চলে যথারীতি যুগের জোয়ারে,

তুমি, আমি, আমাদের পর-

আর যারা সাজাবে বাসর,

শব্দ ও কথামালা যারা যারা গেঁথে যাবে; বিভাবরী হয়ে-

সময়ের পায়ে,

‘অতীত কাহিনী’ তাকে বলা হবে...তারপর,

...তারপর বিস্মৃত বাসর।

 

তবুও থাকবো বেঁচে,

হাওয়ায় যেমন ভাসে ইথারের চোরা খুনসুটি,

কর্মযজ্ঞ শেষে, সময় যখন দেবে ছুটি

আঁচড় থাকবে মহাকালে – আমরা ছিলাম,

নির্জীব প্রান্তরে একটি ক্ষণের কোনো উচ্ছলতার মাঝে,

ছিলো এই নাম-

প্রাণের স্পন্দন যে আনতে চেয়েছে কোনো ভোরে,

ক্ষীয়মান গ্রামে ও নগরে-

শান্তি আনার পণ নিয়ে একদিন জেগেছিলো তারা,

ছোট্ট বীজের মতো মন, ক্ষুদ্র চেতনা তার

বিবর্ণতার বুকে রঙিন বিন্দু হয়ে দিয়েছিলো সাড়া-

মহাকালের মাঝে একটি স্রোতের এক সৃষ্টি-প্রয়াসে,

যেখানে প্রাণের গুঞ্জন ভেসে আসে-

যেখানে শান্তি আসে,

স্বস্থিরা যাকে ভালোবাসে।

 

সেখানে থাকবে নাম-

অসীমের পানে চলা অভিযাত্রীর সারি থেকে-

একটি চেতনাবিন্দু, গিয়েছে তাহার ছোঁয়া রেখে,

একটি স্পন্দন আর, আলোর একটি ক্ষীণ রেখা

রয়ে যাবে আঁকা-

ইতিহাস মুছে যাবে, মুছে যাবে প্রজ্ঞায় সাজা কথামালা-

তবু সেই বিদায়ের বেলা,

একটি বিন্দু বুকে- টের পাবে একা মহাকাল,

একদিন এখানে ছিলো-

বিবর্ণ পৃথিবীতে রঙিন সকাল।