Showing posts with label এক্রোসটিক. Show all posts
Showing posts with label এক্রোসটিক. Show all posts

Tuesday, November 14, 2023

এক্রোসটিক – ৬

 

ভাবনারা ছুটে চলে সীমানা পেরিয়ে,

লোহিত সাগর থেকে হিমালয় ছুঁয়ে;

আজকের দিন কিবা ধূসর প্রাচীনে-

ছিলাম যেখানে বেঁচে ভুলে যাওয়া গানে।

 




ভাবনারা ভালোবাসে গ্রাস করে নিতে,

লোলুপ চাওয়াটি জানে সীমানা পেরোতে;

থেসিয়াস যত পথ পাড়ি দিতে পারে-

কোশল বা ব্যাবিলন, বঙ্গে বা রাঢ়ে!

 

আগামীর দিন চায় তুমি থাকো সাথে,

কাছের জন্মে কিবা সুদূর আগামীতে,

শেষহীন প্রেম চায় ফেরে বার বার-

রক্তিম ভোর ফেরে তোমার আমার।

 

ঠিকানা বিহীন সেই সময়ের দ্বারে,

কাবেরীর তীর ছুঁয়ে, গঙ্গার পারে-

নাইবো আমরা ভুলে বিগত বেদনা;

একটি জন্ম পাবো পুরোতে বাসনা!      

 

চিন্তারা কেঁদে মরে সে সময়কে পেতে,

ঠিকই সে হারাবে ফের, পাবে সে হারাতে;

লিখবে সে গল্পটা পাওয়া ও না পাওয়ার-

খোয়ানো সে প্রেম পেয়ে- হারিয়ে ফেলাবার।

Tuesday, October 30, 2018

Acrostic – 5



 










শুণ্যতা- ঘিরে থাকে বহুরূপী সময়ের ছকে;
একটি নক্ষত্র-হৃদয়, অনন্তে স্থির হয়ে থাকে-
সাত আসমান তাকে ভরে রাখে মিথ্যে স্তবকে,
‘একটি মুহুর্তে পাবে পূর্ণতা এই মহালোকে’।

শুণ্যতা- শুধু একা সাথী হয়ে থাকে রাতদিন-
পঞ্চাননের বুকে পার্বতী যেন আছে জড়ায়ে নিবিড়,
নবমীর চাঁদে যেন সীমাহীন আকাশের ভীড়;
সপ্তম সুরে তাই কেঁদে চলে মরমের বীণ।

সাতটা সমুদ্দুর মাঝখানে তাহার আর আমার,
ষড়জের মত করে মহাকাল গড়ে অবিচার-
পঞ্চশরটা বেঁধা- তবু বিধি থাকে বিধাতার!

Wednesday, August 1, 2018

লেখা এবং আমি

পরিণতি ভাবিনিতো, কোথায় কি হবে-
লিখে গেছি এক মনে গোপনে, নিরবে।
তুষারের মতো ঝরে পড়েছে সময়,
মিছিলের ভীড়ে হয়ে- একা, আমিময়,
কেবল যুঁজেছি মোর একার আহবে।

মনের তেপান্তরে হারিয়েছি কত,
নতুন কালির ক্ষতে তোমাকেই পেতে;
আবার নতুন করে হতে বিক্ষত,
ছড়িয়ে পড়েছি কোন নতুন লেখাতে।

Wednesday, June 21, 2017

পরিচয়






















পরিচয় হোয়েছিলো- বহু আগে, বিস্মৃতির দ্বারে,
লিখিত নগরে আর অলিখিত লুপ্ত শহরে।
আবার এসেছি আমি, চোলে গেছি আরো বহুবার
মিসিসিপির ধারে, প্রেইরির সবুজে আবার-
তোমার চুলের ঘ্রাণ, ঠোটেঁর স্পর্শে ভরে কোরে।

মানুষের ভীরে মিশে, মিশে থেকে তাদের প্রণয়ে
কেবলই গিয়েছি খুজেঁ তোমার উষ্ণ পদরেখা;
ভাবনারা ভেসে গেছে - আগে, পিছে, অজানা সময়ে,
লোহিত সাগর থেকে বাংলার বুকে একা একা।
বার বার চোলে যাও- আমিও হারাই মহাকালে,
সিক্ত হৃদয় ফেরে তোমারকে আবার পাবো বোলে।

মানুষ?!!!

















সাবলিল সময়ের পরিচিত স্রোতের আহ্বানে
এসেছো রিক্তহাতে মুক্ত এ পৃথিবীর বুকে-
মানুষ, তোমার নাম। সীমাহীন গর্বিত সুখে
আকন্ঠ ডুবেছো তার মোহময় রূপে রসে গানে;
মিহিন ভোগের সুখে। সৃষ্টিকে পদতলে রেখে-
তোমার পাওনাটুকু উদ্ধত শিরে করে দাবী,
মানুষ হয়েছো বুঝি? পাষন্ড ভোগ-বিপ্লবী,
কেমন রাজত্ব এটা যেখানে তোমার সম্মুখে
ভাগ্যহীনের মতো কান্নায় রত পৃথিবী;
লোহিত অশ্রুধারে সৃষ্টির কপোল প্লাবিত
বাসনা-দূষণে আজ তোমার ধরণী অনাদৃত,
সিক্ত সৃষ্টির কি ছিলো না তোমার কাছে দাবী?
তুষ্টির বদলে তুষ্টি, সেবার বদলে সেবা তার?
মিথ্যে অহংকার আর নির্বোধ স্বার্থে চোখ বুজেঁ,
কিভাবে অন্ধ মন স্বস্থিতে সৃষ্টি-সমাজে-
আসন করবে উঁচু? মিছে মনুষ্যত্বের দাবীদার,
মানবতা আজ বঞ্চিত, মানুষ- তবুও তুমি রবে?
কেমন এ যুক্তি তোমার? কেমন অবোধ আশা,
ভাবনার মরিচীকা নিয়ে বাধাঁ ঘৃণিত এ বাসা-
লোভের দূষণে রাঙ্গা ধ্বঙসের মৃত উৎসবে?
বাসনামুক্ত যদি নাই হও সৃষ্টির সুখে-
সহজ ধ্বংস দেখো উৎ পেতে আছে সম্মুখে।